ভুয়া ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ খুলে অভিনব কৌশলে ভুয়া লিমিটেড কোম্পানি সার্টিফিকেট বিক্রি করছে একটি চক্র

খবরটিভি ডেস্কঃ অভিনব কৌশলে ভুয়া ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ খুলে বিভিন্ন whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে ভুয়া লিমিটেড কোম্পানি সার্টিফিকেট বিক্রির মাধ্যমে ব্যক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতারণা করেছে একটি চক্র। জামানত মূল্যায়নকারী খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির জামানতের মূল্যায়ন ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম কে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার এক অশুভ শক্তি চক্রের দুদকের অভিযুক্ত পি এস আর সার্ভে এন্ড ইনস্পেকশন এর প্রধান সার্ভেয়ার জসীমউদ্দীন চৌধুরী। বাংলাদেশ ব্যাংকে ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদানকারী আরেকজন ইঞ্জিনিয়ার জিয়াউর রহমান,পরিকল্পনাকারী আহবায়ক মোহাম্মদ ইলিয়াস, ইলিয়াস আরাফাত, ইলিয়াস একেক জায়গায় একেক ধরনের নাম ব্যবহার করে শত শত মানুষের কাছে ভুয়া লিমিটেড কোম্পানি সার্টিফিকেট বিক্রি করে মানুষকে আজ পথে বসিয়েছে। 
অর্থ সংগ্রহের জন্য অভিনব কৌশলে ভুয়া ওয়েবসাইট ( www.bsvcfica.com) ও ফেসবুক পেজ ( facebook.com/bsvcfa ) খুলে বিভিন্ন whatsapp গ্রুপের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে ভুয়া লিমিটেড কোম্পানি সার্টিফিকেট বিক্রির মাধ্যমে ব্যক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতারণা করেছে। সরকারের অরগানাইজ ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টীম ডিবি সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম ( দক্ষিণ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কতৃক তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়েছে। অপরাধীরা আইনের আওতার বাইরে থেকে বিভিন্নভাবে ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংস করার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা করছে। আমরা যেটা শুনছি বা দেখছি কিছু ব্যাংক দুর্বল হয়েছে এই দুর্বল ব্যাংক হওয়ার পিছনে এই জালিয়াতি চক্রের হোতার গন্ধ পাওয়া যায়। এতকিছুর পরেও জালিয়াতি চক্ররা আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে দিব্যি বাংলাদেশ ব্যাংকে যাতায়াত করছে। প্রশ্ন এখন এই জালিয়াতি চক্রকে বাংলাদেশ ব্যাংককি তালিকাভুক্ত করবে না এদেরকে রক্ষার জন্য কৌশল অবলম্বন করবে ?। একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন যে প্রতিষ্ঠান জাল জালিয়াতি কাগজপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে পারে তারা কতটুকু দক্ষতা ও সততার সাথে জনগণের অর্থ বিনিয়োগের জন্য জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিষয়টি এখন দিনের আলোর মতই পরিষ্কার অপরাধীরা যদি তার অপরাধের জন্য সাজাপ্রাপ্ত না হয় তাহলে প্রতিনিয়ত তার অপরাধের পরিধি বাড়তে থাকবে জনগণ এবং সাধারণ মানুষ এদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়ে দেশ এবং জাতি ধ্বংসের দিকে যেতে পারে। অতএব এখনই সময় প্রতারক চক্রদেরকে আইনের আওতায় এনে ব্যাংকিং সেক্টর থেকে কালো তালিকাভুক্ত করে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল করা। অন্যথায় এই সুযোগে আবার দুর্নীতি চক্র বাংলাদেশের মানুষের অর্থকে একটি অন্ধকার উদ্দেশ্য বিহীন বিনিয়োগের দিকে নিয়ে যাবে। এই প্রতিবেদনে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মহল বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিষয়টি সঠিকভাবে বিবেচনা করে দেশ এবং জাতিকে এই মহা বিপদ থেকে রক্ষা করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের কাছে কেউ যদি ভুয়া সার্টিফিকেট দেয় তারা যদি কোন বিচার বা আইনের আওতায় না আসে তাহলে এই অপরাধ প্রতিনিয়ত হতে থাকবে এক পর্যায়ে অপরাধ বৃদ্ধির বৃত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এই চক্রের জসিম উদ্দিন চৌধুরী পূর্বেও বাংলাদেশ সার্ভে এন্ড ভ্যালুয়েশন কোম্পানি ফার্ম এন্ড ইন্ডিভিজুয়াল কন্সার্ন অ্যাসোসিয়েশনের নাম ব্যবহার করে প্যাড ছাপিয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রি করেছে। পল্টন থানায় গত 7/ 11/ 2019 ইং জিডি করা আছে যার নাম্বার ৫৮২। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের এক সাক্ষাৎকারে উনি বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের জাল টাকা যার কাছে পাওয়া যায় সে যেমন অপরাধী তেমনি এই অ্যাসোসিয়েশনের জাল সার্টিফিকেট যে সকল প্রতিষ্ঠান জমা দিয়েছে বা যাদের কাছে পাওয়া যাবে তারা একই অপরাধী এবং এই অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করতে পারলেই এই ব্যাংক সেক্টর হয়ে উঠবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল ব্যাংকিং সহ বিভিন্ন পরিকল্পনায় কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল ব্যাংকিং যেমন মানুষের প্রয়োজন তেমনি দুর্নীতিমুক্ত একটি অবকাঠামোই সঠিক লক্ষ্যে পৌছোতে পারে। অতএব জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এই অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা খুবই জরুরী। সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুনুর রশির সুমন বলেন এটি একটি পেশাজীবী সংগঠন এখানে দক্ষ প্রকৌশলী না থাকা এবং ভুয়া প্রকৌশলীদের নাম ব্যবহার করে বিজনেস পরিচালনা করা কাম্য নয় এবং অপরাধীদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।
এরা অ্যাসোসিয়েশনের নাম ব্যবহার করে অথচ টাকা গ্রহণ করে ব্যক্তিগত ভাবে। অ্যাসোসিয়েশনের নামে বৈধ চ্যানেলে কোন টাকা গ্রহণ করেনা। এই RJSC কোম্পানির আইনগত ভাবে কোন অস্তিত্ব নেই। এবং তারা যে সার্টিফিকেট প্রদান করে সে সার্টিফিকেটের কোন রেফারেন্স নাম্বারও নাই। এবং প্যাডে যে ঠিকানা ব্যবহার করে সে ঠিকানায় তাদের পাওয়া যায়না।