কাজিপুরে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর  ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন

সেলিম শিকদার সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকানী ইউনিয়নের  চর কান্তনগর ও পার খুকশিয়াসহ তিনটি ইউনিয়নের জনসাধারণের পারাপারের নৌকা ঘাটসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। 

সরেজমিনে নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় ঘুরে 
দেখা যায় অতিমাত্রায় নদী ভাঙ্গনের ফলে তেকানীসহ আসপাশের অর্ধশতাধিক বাড়ি ঘর ছাড়াও প্রায় ১৫০ হেক্টর ফসলী জমিও নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। 
ভাঙ্গন কবলিত তেকানী ইউপি সদস্য দুলাল শেখ, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ আলামিন সরকার, থানা আওয়ামীলীগের সহ প্রচার সম্পাদক  মোঃ শাহিন মাষ্টার সহ স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকেরা সাংবাদিকদের জানান, কাজিপুর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের মোধ্যবর্তী স্থান দিয়ে যমুনা নদী প্রবাহের ফলে বীর অঞ্চল সদরে কাজিপুর উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়ন ও নদীর পূর্বপার নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে ৬ টি ইউনিয়ন রয়েছে। 
এ সকল নদী বেষ্টিত তিনটি ইউনিয়নের  লোকজন এই হাড্ডির ঘাট নামক খেয়াঘাট দিয়ে কাজিপুর উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্থানে নৌকায় যাতায়াত করে থাকে।
বিগত সময়ে  চরবাসির কস্ট লাঘবে মাননীয় এমপি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় মহোদয় এই ঘাট দিয়ে জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য প্রায় ১২৩০ মিটার পাকারাস্তা নির্মান করে ছিলেন।  
পরবর্তীতে আগ্রাসী যমুনা নদীর ভয়াল ভাঙনের প্রায় সবটুকুই নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেলেও মাত্র ১০০ মিটার রাস্তা অবশিস্ট রয়েছে। যা যে কোন মুহুর্তেই নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। এছাড়াও নদীতীরবর্তী দুটি গ্রামের প্রায় ১৫০ হেঃ ফসলী জমি সহ শতাধিক বাড়ি ঘর নদীতে বিলিন হয়ে  গেছে। 
নদী ভাঙ্গন কবলিত তেকানী সহ আসপাশের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকেরা  মাননীয় এমপি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় মহোদয় সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের পক্ষ থেকে জরুরি ভাবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করে
ঐতিহ্য বাহি হাড্ডির ঘাটসহ নদীতীরবর্তী গ্রাম গুলোর বাড়িঘর ফসলী জমি রক্ষার জোরদাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষেরা।